বাড়ির এই জায়গায় ভুলেও ঘড়ি টাঙাবেন না
দি নিউজ লায়নঃ বাস্তুমতে বাড়িতে ঘড়ির অবস্থান, ঘরে পজেটিভ বা নেগেটিভ এনার্জিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং ঘরের মানুষদের উপর তার প্রভাব ফেলতে পারে। তাই যদি বাস্তুর নিয়ম মেনে সঠিক দিকে, সঠিক দেয়াল ঘড়ি টাঙান তাহলে আপনার সাফল্যতে কোনো বাধা আসবে না।
১। ঘরের পূর্ব এবং উত্তর দিকে ঘড়ি টাঙানো শুভ তবে যদি জায়গা না থাকে তাহলে পশ্চিম দিকের দেয়ালেও ঘড়ি টাঙাতে পারেন কিন্তু ঘর হোক বা দোকান, দক্ষিণদিকের দেয়ালে কখনোই ঘড়ি টাঙাবেন না, তাহলে কিন্তু উন্নতিতে বাধা আসবে। আর যদি বেডরুমে ঘড়ি টাঙান তাহলে পূর্ব দিক সবথেকে শুভ এবং সম্ভব না হলে উত্তরদিকের দেয়ালে রাখতে পারেন।
২। খাবার ঘরে ঘড়ি না রাখাই ভালো, কারণ এটা বাস্তুমতে স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।
৩। দরজার উপর কখনোই ঘড়ি টাঙাবেন না। এতে ঘরে নেগেটিভ এনার্জির বাস হয়। এবং পরিবারের সদস্যদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়।
৪। বালিশের নিচে ঘড়ি রেখে ঘুমালে স্বভাবে নেতিবাচক অবগুন ফুটে উঠে।
৫। স্বামী-স্ত্রীর শোবার বিছানার খুব কাছে বা বিছানার পাশের টেবিলে বা বালিশের নিচে ছোট হাত ঘড়ি বা সময় দেখার কোনো রকম যন্ত্র না রাখাই ভালো। কারণ এরকম করলে দাম্পত্য সম্পর্কে কলহ দেখা দেয়।
৬। ঘড়ি যেন বাড়িতে দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়ে না থাকে বা যদি বাড়িতে কোনো খারাপ ঘড়ি রয়েছে তাহলে দ্রুত সেটি সারাবার বা সারানো না গেলে, তাকে ঘর থেকে বাইরে ফেলার ব্যবস্থা করুন। বন্ধ পড়ে থাকা ঘড়ি ঘরের উন্নতির এবং ঘরের মানুষদের সাফল্যের পথ বন্ধ করে দেয়, সাথেই ঘরে নেগেটিভ এনার্জির মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
৭। পশ্চিম দিকে মুখ করে ঘড়ি লাগালে বাড়ির সদস্যদের জীবনে নতুন কিছু ঘটার সম্ভাবনা বাড়ে এবং উত্তর দিকে মুখ করে ঘড়ি লাগালে বাড়িতে পয়সার অপচয় বন্ধ হয়।
৮। বাড়িতে কমলা বা সবুজ এবং দোকানে কালো বা ঘন নীল রংয়ের ঘড়ি কখনওই লাগাবেন না।
৯। বেডরুমে সব সময় গোলাকার ঘড়ি রাখা উচিত, এতে ঘরে সুখ শান্তি বজায় থাকে।
১০। বাড়িতে পেন্ডুলাম যুক্ত ঘড়ি টাঙানো খুবই শুভ মনে করা হয় এবং মনে করা হয় এতে ঘরের সব খারাপ সময় পার হয়ে যায়।

Post a Comment